লেবু জল পানে কী কিডনি নষ্টের আশঙ্কা থাকে?
লাইফস্টাইল ডেস্ক: গ্রীষ্মে লেবু জল পানে সবচেয়ে বেশি আরাম মেলে। আর এটা স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী মনে করা হয়। লেবুতে ভিটামিন সি পাওয়া যায়, যা শরীরকে ডিটক্স করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। কিন্তু লেবু জল আমাদের শরীরের জন্য যতটা উপকারী, শরীরের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যাও ডেকে আনতে পারে।
লেবু জলকে গ্রীষ্মের এনার্জি ড্রিংক বলা হলেও এটি আমাদের কিডনির ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ভিটামিন সি ছাড়াও লেবুতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম পাওয়া যায়। এছাড়াও লেবুতে সাইট্রাস অ্যাসিড পাওয়া যায়। শুধু লেবু জল নয়, নারকেলের জলও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। নারকেল জলে পটাসিয়াম এবং ফসফরাস পাওয়া যায়। আপনি যদি দিনে ২ বা ৩ বার লেবু বা নারকেলের জল পান করেন তবে তা আপনার জন্য ক্ষতিকারক প্রমাণিত হতে পারে। এর প্রভাব আপনার কিডনিতে দেখা যাবে।
কিন্তু দিনে দুই থেকে তিনবার লেবু বা নারকেলের জল আসলেই বিপজ্জনক কিনা। এটা নিয়ে খুব বেশি গবেষণাও হয়নি। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে লেবু বা নারকেল জল পান করা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
কিডনি রোগীদের বিশেষ করে সাইট্রাস ফল এবং সবুজ শাক-সবজি থেকে দূরত্ব বজায় রাখা উচিৎ। এগুলো খেলে শরীরে পটাশিয়াম ও ফসফরাসের পরিমাণ বেড়ে যায়। যদিও জুস লিভারের জন্য ভালো, কিন্তু সঠিক উপায় না জানা থাকলে তা অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল বা শাকসবজি খেলে শরীরে অক্সালেটের পরিমাণ বেড়ে যায়। এসবের রস বেশি করে খেলে আমাদের শরীরে অক্সালেট ক্রিস্টাল তৈরি হতে শুরু করে, যা কিডনিতে জমা হয়। এতে পাথর ও কিডনি সংক্রান্ত রোগ হতে পারে। অতএব, আপনি যদি লেবু বা নারকেলের জল পান করেন তবে এটিকে ডিটক্স ড্রিংকস হিসাবে বিবেচনা করে, তবে এটি সীমিত পরিমাণে পান করুন। আর প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

No comments:
Post a Comment