ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা এখন খুব কম বয়সের মানুষকেও নিজের শিকার করে তুলছে। আমাদের খাবার খাওয়া, জীবনধারা আমাদের জীবনযাত্রার জন্য দায়ী। ভারতে এই রোগটি দ্রুত বাড়ছে, আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের মতে, ২০১৮ সাল পর্যন্ত ভারতে ডায়াবেটিস রোগীদের সংখ্যা ছিল ৭.৭ কোটি যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা আমরা নিজেরাই জন্ম দিয়ে থাকি। আমাদের জীবনযাপন এবং আমাদের খাবার খাওয়ার কারণে আমরা নিজেরাই ডায়বেটিসের ঝুঁকির মধ্যে আছি। আসুন আমাদের কিছু অভ্যাস জেনে রাখুন, যার কারণে আমরা নিজেরাই ডাইবেটিসের মতো রোগের শিকার হচ্ছি।
আপনি যদি কম জল পান করেন তবে আপনার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি:
দিনে কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস জল পান করা খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ জলের অভাব শরীরকে হাইড্রেট না করে এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। এটি আপনাকে সহজেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত করে তোলে।
প্রাতঃরাশ এড়ানো:
প্রাতঃরাশ এড়িয়ে যাওয়াও ডায়াবেটিসের সবচেয়ে বড় কারণ। আসলে, সকালের প্রাতঃরাশ না খেলে শরীরে ইনসুলিনের ভারসাম্য ব্যাহত হয়, যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করুন :
সাদা রুটি, সাদা ভাত, ময়দা বা অন্যান্য পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট শরীরকে বেশি পরিমাণে ইনসুলিন তৈরি করতে দেয়। এই কারণে, আপনি শীঘ্রই ক্ষুধার্ত বোধ শুরু করেন এবং আপনি ওভাররাইট করছেন। এটি ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
সারা দিন বসে বসে কাজ করা:
চেয়ারে বসে অফিসে সারাদিন কাজ করলেও ডায়বেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। কর্মীরা অনেক সময় চেয়ারে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটান এবং ওঠার সময় পান না, ঘন্টার পর ঘন্টা চেয়ারে বসে থাকার এই অভ্যাস ডায়াবেটিসের পাশাপাশি হৃদরোগীদেরও তৈরি করতে পারে।
ভিটামিন ডি এর অভাব:
একটি গবেষণা বলছে, ডায়াবেটিসের সবচেয়ে বড় কারণ শরীরে ভিটামিন-ডি এর অভাব। ভিটামিন ডি এর ঘাটতিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। ভিটামিন ডি এর ঘাটতি মেটাতে ডায়েটে ভিটামিন ডি অন্তর্ভুক্ত করুন। কমপক্ষে আধা ঘন্টা রোদে থাকুন।
খাবারের জন্য প্লাস্টিকের বাসন ব্যবহার:
গবেষকরা বলছেন, প্লাস্টিকের মোড়ক এবং পাত্রে পাওয়া রাসায়নিকগুলি ইনসুলিনের প্রতিরোধকে ব্যাপকভাবে বাড়ায়। এটি ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ।

No comments:
Post a Comment