জেলে নয়, রাজধানী এক্সপ্রেস পণবন্দি এবং খুনের মামলায় গৃহবন্দি থাকতে চেয়েছিলেন ছত্রধর মাহাতো
। এই মর্মে আবেদন জানিয়েছিলেন NIA আদালতে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে গেল। আগামী ১৫ জুন ফের মামলার শুনানি।
রাজ্যে কোভিড পরিস্থিতি চলছে। নানারকম শারীরিক উপসর্গে ভুগছেন। সম্প্রতি তাঁকে গৃহবন্দি রাখার আবেদন জানিয়ে NIA আদালতের দ্বারস্থ হন ছত্রধর মাহাতো। এদিন মামলার শুনানিতে রাজ্যের কাছে বিচারক জানতে চান, জেলে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে কিনা? অভিযুক্তকে কি ঠিকমতো চিকিৎসা পাচ্ছেন? উত্তরে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, জেলে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসারও ব্যবস্থা রয়েছে। এদিকে ছত্রধর মাহাতোকে গৃহবন্দি রাখার বিরোধিতা করে NIA। তাঁদের বক্তব্য়, জনসাধারণ কমিটির প্রাক্তন এই নেতা যথেষ্ট প্রভাবশালী। জেলের বাইরে থাকলে মামলাকে প্রভাবিত করতে পারেন তিনি। দু'পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার ছত্রধরের আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।
প্রসঙ্গত, ২০০৯-এর ২৭ অক্টোবর ছত্রধরকে ছাড়ার দাবিতে ঝাড়গ্রামের বাঁশতলা স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস অবরোধ করা হয়। জেলে ছিলেন তিনি। মামলা দায়ের হয় ছত্রধরের বিরুদ্ধে। ২০০৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের হয়। সেটি ছিলো লালগড়ের সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাতো খুনের ঘটনা। সেই খুনের মামলায় ছত্রধর-সহ মোট ৩৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের ধারায় মামলা দায়ের হয়। পরে জামিন পাম তিনি। কিন্তু ২০১০ সালে জঙ্গলমহলে ভোটের পরের দিন ফের গ্রেফতার হন তিনি।
বাম আমলে পুলিশি সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির নেতা ছত্রধরকে জেল থেকে ছাড়ার দাবি ওঠে। ২০০৯-এর ২৭ অক্টোবর সেই দাবিতে ঝাড়গ্রামের বাঁশতলা স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস অবরোধ করা হয়। মামলা দায়ের হয় ছত্রধরের বিরুদ্ধেও। ২০০৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের হয়। সেটি ছিলো লালগড়ের সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাতো খুনের ঘটনা। সেই খুনের মামলায় ছত্রধর-সহ মোট ৩৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের ধারায় মামলা দায়ের হয়।
২০১০ সালে তাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। পরে ছত্রধর জামিনও পান। ১১ বছর পর ভোটপ্রয়োগের অধিকার পান এই মাওবাদী নেতা। রাজ্যের শাসকদলে যোগ দিয়ে তার হয়ে কাজও করছিলেন। কিন্তু জঙ্গলমহলের ভোটের পরের দিন ২৮ মার্চ ছত্রধরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

No comments:
Post a Comment