বাচ্চারা যখন বড় হয় তখন তাদের বিভিন্নভাবে যত্নের প্রয়োজন হয়। পিতামাতার আদর, খাদ্য, শিক্ষা, খেলা গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বশান্তির জন্য এটাই প্রয়োজন। বাড়িতে যদি ক্রমাগত অশান্তি থাকে, তাহলে এটি শিশুর মনে প্রভাব ফেলে। এই সমস্যা থেকে তার ব্যক্তিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   এই পরিস্থিতি শিশুর মানসিক গঠনে কি ধরনের প্রভাব ফেলে?   ১) বাবা -মায়ের মধ্যে মিল না থাকলে অনেক শিশুকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে দেখা যায়। শিশুরা নানা ধরনের অনিশ্চয়তায় ভোগে।    ২) ৩-৬ বছর বয়স শিশুদের জন্য চিন্তা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই কয়েক বছরে, তারা স্কুলে যাওয়া এবং নতুন বন্ধুদের সাথে বন্ধুত্ব করতে শুরু করে। তাদের জগৎ ভিন্নভাবে তৈরি। যদি বাড়ির পরিস্থিতি এমন সময়ে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে, তবে তাদের বাকি সম্পর্কগুলি শান্তিপূর্ণ নাও হতে পারে।   ৩) পারিবারিক অশান্তি অতিরিক্ত মাত্রায় হলে শিশুর মানসিক চাপ বাড়ায়। বিষণ্নতা এবং উদ্বেগের মতো অসুস্থতা ছোটবেলা থেকেই তাদের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে।   বড়রা দ্বিমত পোষণ করতে পারে। তার কারণে অশান্তি অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু বাবা -মাকে একে অপরকে বুঝতে হবে যাতে তাদের সম্পর্কের তিক্ততা কখনই বাড়ির শিশুকে অসুস্থ না করে। - Majaru

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 12 August 2021

বাচ্চারা যখন বড় হয় তখন তাদের বিভিন্নভাবে যত্নের প্রয়োজন হয়। পিতামাতার আদর, খাদ্য, শিক্ষা, খেলা গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বশান্তির জন্য এটাই প্রয়োজন। বাড়িতে যদি ক্রমাগত অশান্তি থাকে, তাহলে এটি শিশুর মনে প্রভাব ফেলে। এই সমস্যা থেকে তার ব্যক্তিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   এই পরিস্থিতি শিশুর মানসিক গঠনে কি ধরনের প্রভাব ফেলে?   ১) বাবা -মায়ের মধ্যে মিল না থাকলে অনেক শিশুকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে দেখা যায়। শিশুরা নানা ধরনের অনিশ্চয়তায় ভোগে।    ২) ৩-৬ বছর বয়স শিশুদের জন্য চিন্তা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই কয়েক বছরে, তারা স্কুলে যাওয়া এবং নতুন বন্ধুদের সাথে বন্ধুত্ব করতে শুরু করে। তাদের জগৎ ভিন্নভাবে তৈরি। যদি বাড়ির পরিস্থিতি এমন সময়ে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে, তবে তাদের বাকি সম্পর্কগুলি শান্তিপূর্ণ নাও হতে পারে।   ৩) পারিবারিক অশান্তি অতিরিক্ত মাত্রায় হলে শিশুর মানসিক চাপ বাড়ায়। বিষণ্নতা এবং উদ্বেগের মতো অসুস্থতা ছোটবেলা থেকেই তাদের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে।   বড়রা দ্বিমত পোষণ করতে পারে। তার কারণে অশান্তি অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু বাবা -মাকে একে অপরকে বুঝতে হবে যাতে তাদের সম্পর্কের তিক্ততা কখনই বাড়ির শিশুকে অসুস্থ না করে।

 

বাচ্চারা যখন বড় হয় তখন তাদের বিভিন্নভাবে যত্নের প্রয়োজন হয়। পিতামাতার আদর, খাদ্য, শিক্ষা, খেলা গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বশান্তির জন্য এটাই প্রয়োজন। বাড়িতে যদি ক্রমাগত অশান্তি থাকে, তাহলে এটি শিশুর মনে প্রভাব ফেলে। এই সমস্যা থেকে তার ব্যক্তিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


  এই পরিস্থিতি শিশুর মানসিক গঠনে কি ধরনের প্রভাব ফেলে?



  ১) বাবা -মায়ের মধ্যে মিল না থাকলে অনেক শিশুকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে দেখা যায়। শিশুরা নানা ধরনের অনিশ্চয়তায় ভোগে। 




  ২) ৩-৬ বছর বয়স শিশুদের জন্য চিন্তা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই কয়েক বছরে, তারা স্কুলে যাওয়া এবং নতুন বন্ধুদের সাথে বন্ধুত্ব করতে শুরু করে। তাদের জগৎ ভিন্নভাবে তৈরি। যদি বাড়ির পরিস্থিতি এমন সময়ে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে, তবে তাদের বাকি সম্পর্কগুলি শান্তিপূর্ণ নাও হতে পারে।





  ৩) পারিবারিক অশান্তি অতিরিক্ত মাত্রায় হলে শিশুর মানসিক চাপ বাড়ায়। বিষণ্নতা এবং উদ্বেগের মতো অসুস্থতা ছোটবেলা থেকেই তাদের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে।


  বড়রা দ্বিমত পোষণ করতে পারে। তার কারণে অশান্তি অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু বাবা -মাকে একে অপরকে বুঝতে হবে যাতে তাদের সম্পর্কের তিক্ততা কখনই বাড়ির শিশুকে অসুস্থ না করে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad