গ্রীষ্মের মৌসুমে তাপমাত্রা ৪৫ ছাড়িয়ে গেলেও বা প্রখর রোদ থাকলেও সারা বছর মানুষ এই ঋতুর অপেক্ষায় থাকে। তবে তা তাপমাত্রা বা গরমের জন্য নয়, আমের অপেক্ষায়।এই রসালো ও মিষ্টি ফলটি কেবল গ্রীষ্মকালেই পাওয়া যায়। আপনি জেনে অবাক হবেন যে কাঁচা আম পাকলে ভিটামিন-সি এবং ভিটামিন-এ বেশি থাকে। এর বৈজ্ঞানিক নামও Mangifera indica।আম উৎপাদনেও ভারত এক নম্বরে। এটি শুধু ভারতের নয়, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের জাতীয় ফল। এখানে 100 টিরও বেশি জাতের আম রয়েছে। জেনে নিই ফলের রাজা আমের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে।
ক্যারি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
আম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী কারণ এতে সক্রিয় জৈব যৌগ রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এতে রয়েছে উচ্চ মাত্রার বিটা ক্যারোটিন যা শরীরকে অনেক রোগ থেকে রক্ষা করে।আমের পাল্পে ক্যারোটিনয়েড, অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, টেরপেনয়েড এবং পলিফেনলের মতো উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সারের মতো বড় রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা রাখে।
হার্টের জন্যও উপকারী
এই ফলটি হার্টের জন্যও বেশ উপকারী।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এটি খেলে হার্ট ফিট থাকে। এর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও আম খুবই উপকারী। এটি ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ।
এটি দৃষ্টিশক্তির জন্যও উপকারী
চোখের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা আজকাল বেশী বয়সের সাথে সাথে কম বয়সিদেরও সাধারণ ব্যাপার হয়ে উঠেছে। এটি ভিটামিন-এ এর অভাবের কারণে হয়। সেক্ষেত্রে আম ভিটামিন-এ-এর ভালো উৎস। যাদের দৃষ্টি কম বা চোখের সমস্যা আছে তাদের এই ফল খাওয়া উচিত।
তাপ থেকে রক্ষা
আম গ্রীষ্মে গরম বাতাস বা তাপপ্রবাহ থেকে রক্ষা করতেও বেশ উপকারী। এর জুসও পান করতে পারেন। আপনি এটি থেকে তাপ পাবেন না।অার এই সব কারণেই গ্রীষ্মকালের এই ফলটি আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
প্র ভ

No comments:
Post a Comment