ত্বকের জেল্লা বজায় রাখতে মেনুতে কোন কোন জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার রাখবেন
দিক্সা দাস,৬জুন: ত্বকের পরিচর্যায় যেমন বিভিন্ন ভিটামিন প্রয়োজন, তেমনই দরকার হয় বিভিন্ন মিনারেলস বা খনিজ উপকরণ। এই তালিকায় রয়েছে জিঙ্ক। এই মিনারেল কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে। তার ফলে আপনার ত্বক থাকে মোলায়েম এবং উজ্জ্বল। বিশেষজ্ঞরা হামেশাই বলে থাকেন, শুধু বিভিন্ন উপকরণ ত্বকের মধ্যে লাগিয়ে রাখলে প্রকৃত রূপচর্যা হয় না। এর সঙ্গে প্রয়োজন সঠিকভাবে খাওয়াদাওয়া করা। তাই প্রতিদিনের জীবনে জিঙ্ক সমৃদ্ধ কিছু খাবার আপনি যোগ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে ত্বকের যত্ন হবে।
নাটস অর্থাৎ বিভিন্ন ধরনের বাদাম- আখরোট, পেস্তা, কাজুবাদাম, ব্রাজিল নাট- এইসব বাদামের মধ্যে রয়েছে ভরপুর জিঙ্ক। এছাড়াও রয়েছে হেলদি ফ্যাট এবং সেলেনিয়াম নামের একটি উপকরণ। বাদামের মধ্যে থাকা এইসব উপকরণ ত্বক উজ্জ্বল রাখতে সারাবছর সাহায্য করবে।
এই তালিকায় রয়েছে মুসুর ডাল। এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক। মুসুর ডাল বেটে আপনি ফেসপ্যাক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। এর ফলে ত্বকের কালচে দাগছোপ দূর হয় এবং উজ্জ্বলতা বাড়ে।
কুমড়োর বীজ- কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় উপকরণ। এছাড়াও রয়েছে সেলেনিয়াম, ভিটামিন এ এবং সি। ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য এইসব উপকরণই কাজে লাগে। বাঙালি বাড়িতে বিভিন্ন রান্নায় কুমড়োর বীজ ব্যবহারও করা হয়।
ডিম- প্রোটিনের পাশাপাশি এই খাবারে রয়েছে প্রচুর জিঙ্ক। এছাড়াও রয়েছে লুটেন বা লুটিন জাতীয় উপকরণ। এই নির্দিষ্ট উপকরণ ত্বকের ইলাস্টিসিটি বাড়াতে সাহায্য করে। আর জিঙ্কের মাধ্যমে ত্বকের উজ্জ্বল ভাব বজায় থাকে।
ত্বকের পরিচর্যার জন্য প্রতিদিন আমরা বিভিন্ন ভাবে যত্ন নিয়ে থাকি। একাধিক উপকরণও ব্যবহার করি ত্বকের পরিচর্যার জন্য। এর মধ্যে বেশিরভাগই কেমিক্যাল মিশ্রিত বাজারচলতি প্রোডাক্ট। কিন্তু আমাদের চারপাশেই রয়েছে এমন কিছু উপকরণ যা প্রাকৃতিক এবং দারুণ ভাবে ত্বকের যত্নে কাজে লাগে। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করার ক্ষেত্রে এইসব প্রাকৃতিক উপকরণ মাঝে মাঝে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এই তালিকায় রয়েছে কফি, যা স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও রয়েছে হলুদ গুঁড়ো। বাড়িতে ফেসপ্যাক তৈরি করলে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন। এর পাশাপাশি মধু, কাঁচা দুধ, অ্যালোভেরা জেল, ব্যবহার করা গ্রিন টি-এর টি ব্যাগ, লেবুর রস- এইসব দিয়েও প্রতিদিন ত্বকের পরিচর্যা করা যায়।
ডিসক্লেইমার : কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।

No comments:
Post a Comment