। জনমত দেখে সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৭ দিনের মধ্যে মূল্যায়ন পদ্ধতি জানানোর নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। সোমবার দুপুর ২টোর মধ্যে ইমেলে সাধারণ মানুষকে নিজেদের মতামত জানাতে বলেছিলেন তিনি।
সর্বভারতীয় পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ৩৪ হাজার ইমেল জমা পড়েছে। এই রিপোর্ট ডকুমেন্টটেশন করা হবে। সিংহভাগই পরীক্ষা না নেওয়ার পক্ষে মতামত দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞ কমিটিও পরীক্ষা না নেওয়ার পরামর্শই দিয়েছেন। করোনা আবহে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া উচিত কি না, সাধারণ মানুষের কাছে জানতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার দুপুর ২টোর মধ্যে ইমেলে নিজেদের মতামত জানাতে বলেছিলেন তিনি।
সোমবার সেই রিপোর্ট এলে দেখা যায়, করোনা আবহে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা না নেওয়ার পক্ষেই মত সিংহভাগের। শিক্ষা দফতরের তরফে যে জনমত চাওয়া হয়েছিল, সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি মানুষই পরীক্ষা না নেওয়ার পক্ষে মতামত দিয়েছেন। সেই রিপোর্ট দেখেন পরীক্ষা বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।
কেবল মতামত জানানোই নয়, বিকল্প পরামর্শও দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। অনেকে বলেছেন হোম অ্যাসাইনমেন্টের কথা। অনেকে দিয়েছেন বাড়িতে খাতা ও প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার কথা। ইতিমধ্যে শিক্ষা দফতর থেকে সমস্ত তথ্য সম্বলিত একটি রিপোর্ট নবান্নে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্ট দেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, করোনা আবহে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া উচিত কি না, সাধারণ মানুষের কাছে জানতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার দুপুর ২টোর মধ্যে ইমেলে নিজেদের মতামত জানাতে বলেছিলেন তিনি।

No comments:
Post a Comment