মধুর মধ্যে শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণাবলী থাকার জন্যে চুলকানি ও জ্বালা কমায়। সাথে ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে এবং শুষ্ক হতে বাধা দেয়। সেই জন্যেই কয়েক ফোঁটা মধু লাগান এবং ঘণ্টা খানেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মুখের ভেতরের ঘা নিরাময় হয়ে গেছে।
নারকেল তেল আমরা রোজের জীবনে নানান কাজে ব্যবহার করে থাকলেও, অনেকেই জানে না মুখের ঘা সারাতেও নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার। ঘায়ের উপরে কিছুটা নারকেল তেল লাগিয়ে রেখে দিলে দেখবেন ঘা অনেকটা কমে গেছে। যদি রাত্রি বেলা নারকেল তেল লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়তে পারেন তবে এক দিনেই মুখের ঘা সেরে যাবে।
এক গ্লাস গরম জলে এক চা চামচ নুন মিশিয়ে নিয়ে ভালো করে কুলি বা গার্গিল করুন। লক্ষ্য রাখবেন কুলি বা গার্গিল করার সময় নুন জল যেন মুখের চারি দিকে যায়। তারপরে জল মুখ থেকে ফেলে দিয়ে আবারও একই ভাবে কুলি বা গার্গিল করুন। এটি মুখের ভেতরের ঘায়ের ব্যথা এবং যে অস্বস্তি হয় তা কমাতে সাহায্য করে।

No comments:
Post a Comment