আলু-করলার এই রেসিপি বানালে বাচ্চা থেকে বুড়ো একবার খেলে বার বার চেয়ে চেয়ে খাবে
দিক্সা দাস, ১০জুন: প্রায় সকলের বাড়িতে মাঝে মধ্যেই করলা ভাজা কিংবা করলার দিয়ে অন্য কোনও তরকারি বানানো হয়। কিন্তু অন্য কিছু না বানিয়ে বাড়িতে বানিয়ে নিতে পারেন করলা-আলুর তরকারি। রুটি-পরোটা দিয়ে বা ভাতের সঙ্গে খেতে দারুণ লাগে এই খাবার। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কি কি উপাদান লাগে ও পদ্ধতি জানুন।
বানানোর উপকরণ : পরিমাণ মত করলা, আলু, সর্ষের তেল, শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, টকদই, পেঁয়াজ, রসুন বাটা, আদা বাটা, চিনি, পরিমাণ মত নুন, কাঁচা লঙ্কা।
বানানোর পদ্ধতি : প্রথমে করলা নিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই করলা গোল গোল করে কেটে নিতে হবে। তবে করলার দানাগুলো অবশ্যই ছাড়াতে হবে। এবার কড়াইতে তিন চা চামচ সর্ষের তেল নিয়ে নিতে হবে।
তারপর কড়াইয়ের তেলে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ তেল গরম করে নেওয়ার পর গোল গোল করে কেটে রাখা করলাগুলো দিয়ে নিতে হবে। এবার করলার টুকরোগুলোকে ২-৩ মিনিট ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে করলাগুলো নামিয়ে রাখুন। এবার ঐ কড়াইতে তেল দিয়ে নিতে হবে। সেই তেলে পেঁয়াজ ভাজার পর একটু হলুদ রঙের হয় এলে তাতে শুকনো লঙ্কা, আদা কুঁচি ও রসুন কুঁচি মিশিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করার পর শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো ও জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে নেড়ে নিতে হবে।
তারপর টমেটো কুঁচি মিশিয়ে নিতে পারেন। তারপর পরিমাণ মতো নুন দিয়ে নিতে হবে। এবার এটা কিছুক্ষন ভাজার পর এর সঙ্গে জল মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর এর সঙ্গে আধ কাপ টকদই মিশিয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ রান্না করে নেওয়ার পর সেদ্ধ করে রাখা আলু ও ভাজা করলা মিশিয়ে নিতে হবে।
এরপর সব কিছু ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পর আরও একবার নুন ও চিনি মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর একটু জল মিশিয়ে ভালো করে রান্না করে নিতে হবে। এবার কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়িয়ে নাড়িয়ে নিতে হবে। রান্না হয়ে গেলে ভাত কিংবা রুটি,পরোটা দিয়ে জমিয়ে খাওয়া যেতে পারে এই খাবার।

No comments:
Post a Comment