নিমেষেই ফাঁকা এক থালা ভাত হবে, যদি পাতে থাকে বেগুনের তেল-ঝাল-পোস্ত
দিক্সা দাস,১৯জুন: বাজারে বেগুন সারা বছরই পাওয়া যায়। দামে কম, পুষ্টিগুণে ভরপুর বেগুনের মধ্যে রয়েছে আয়রণ যা রক্তাল্পতা দূর করে। ভিটামিন এ, সি, ই, কে সমৃদ্ধ বেগুন চোখ ভালো রাখে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং নখ মজবুত করে। বেগুন নিয়মিত খেলে ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে। তবে একঘেয়ে পোড়া, ভাজা, তরকারি কিংবা ঝোল না খেয়ে যদি মুখের স্বাদ ফেরাতে চান তাহলে চটজলদি শিখে ফেলুন বেগুনের তেল ঝাল পোস্ত রেসিপি।
বেগুনের তেল ঝাল পোস্ত বানাতে যা যা লাগবে : বেগুন, পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা কুচি, গোটা কাঁচা লঙ্কা, আদা বাটা, রসুন বাটা, পোস্ত বাটা, সরষের তেল, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো, ভাজা জিরে গুঁড়ো, নুন
বেগুনের তেল ঝাল পোস্ত বানানোর পদ্ধতি : বেগুন ভালো করে ধুয়ে গোল গোল করে একটু মোটা করে কেটে নিতে হবে। এরপর এতে সামান্য নুন হলুদ মাখিয়ে রাখুন। কড়াইতে তেল গরম করে তার মধ্যে বেগুনগুলো দিয়ে এপিঠ ওপিঠ হালকা ভেজে নেবেন। খুব বেশি ভাজার দরকার নেই, বাকিটা রান্না করতে করতেই হয়ে যাবে।
বেগুন হালকা ভাজা হয়ে গেলে কড়াইতে ফের তেল দিয়ে গরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবারে তার মধ্যে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাজতে থাকুন। পেঁয়াজের রং হালকা বাদামি ধারণ করলে এর মধ্যে আদা-রসুন বাটা দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। তারপর কড়াইয়ে একে একে হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে কষতে থাকুন।
মশলা কষানো হয়ে গেলে তারমধ্যে আগে থেকে বেঁটে রাখা পোস্ত দিয়ে দিন। পোস্ত বাটা রাখার বাটিটা সামান্য জল দিয়ে ধুয়ে জলটাও কড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে দিন। এরপর পরিমাণমতো নুন দিয়ে দিন কড়াইতে। ফের একবার কষিয়ে পরিমাণমতো জল দিয়ে ফুটতে দিন।
ফুটতে শুরু করলে আগে থেকে ভেজে রাখা বেগুনগুলোও কড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে দিন। ৫ মিনিট পর ৩-৪ টে কাঁচালঙ্কা চিরে গ্রেভির মধ্যে দিয়ে দিন। এবার ভাজা জিরা গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে।
সবশেষে ধনেপাতা কুচি উপর থেকে ছড়িয়ে দিয়ে ৮-১০ মিনিট ঢাকা দিয়ে রান্না করলেই রেসিপি রেডি। গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন বেগুনের তেল ঝাল পোস্তর রেসিপি।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment