শুধুমাত্র এই একটি উপাদান যা দূর করে ত্বকের সব দাগছোপ
দিক্সা দাস,২০জুন: বর্তমানে কসমেটিকসের বাজারে কোরিয়ান বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনীর বেশ চাহিদা বেড়েছে। কোরিয়ান স্কিন কেয়ার, বিশেষ করে কোরিয়ানদের মত গ্লাস স্কিনের প্রতি বর্তমান প্রজন্মের আকর্ষণ বেড়েছে বহুগুনে। বছরের পর বছর ধরে কোরিয়ানরা তাদের রূপচর্চায় ব্যবহার করছেন এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান যা তাদের চেহারা থেকে বয়সের ছাপ মুছে ফেলেছে।
কোরিয়ানদের ত্বকের এমন জৌলুস দেখে তাই গোটা পৃথিবী তাদের রূপ রহস্য জানতে চায়। অথচ তারা যে খুব নামিদামি উপকরণ ত্বকের যত্নে ব্যবহার করেন তেমনটা কিন্তু নয়। ঘরোয়া কিছু উপাদান যেমন চাল, শসা দিয়েই তারা সেরে ফেলেন দৈনন্দিন রূপচর্চা। কোরিয়ানরা স্কিন কেয়ারে টোনার হিসেবে ব্যবহার করেন রাইস ওয়াটার।
সবার আগে জেনে নিতে হবে চালের জল ত্বকের জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ। চাল ভেজানো জলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। টানা ২৮ দিন ধরে কেউ যদি এই জল নিয়মিত ব্যবহার করেন তাহলে তার ত্বকের পার্থক্যটা ধরা পড়ে। এতে মুখে বয়সের ছাপ পড়ে না।
সেই সঙ্গে এ মধ্যে এমন কিছু এনজাইম থাকে যেগুলো ত্বকের জেল্লা বাড়াতে সাহায্য করে। বিভিন্ন কোরিয়ান ক্রিমের মধ্যে রাইস ওয়াটার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উপস্থিত থাকে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে রাইস ওয়াটার ত্বকের উপর প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর তৈরি করে যা ত্বকের প্রদাহ, লাল ভাব, জ্বালা এবং চুলকানি কমিয়ে দেয়।
প্রাইস ওয়াটার টোনা তৈরি করার জন্য প্রথমে এক কাপ চাল নিয়ে জলে সেটাকে ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। এবার ওই চালের মধ্যে তিন কাপ পরিমাণ জল মিশিয়ে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর জলটা ছেঁকে নিয়ে কাঁচের শিশিতে ঢেলে নিন। এবার একটি পাত্রে ১/৪ কাপ রাইস ওয়াটার নিন। তার মধ্যে ১ টেবিল চামচ পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল মেশান।
এই দুটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে নেওয়ার পর একটি স্প্রে বোতলের মধ্যে ঢেলে রাখুন। তারপর রেফ্রিজারেট করে ব্যবহার করুন নিয়মিত। তবে টোনার ব্যবহারের আগে অবশ্যই মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। তারপর কটন প্যাডের মধ্যে এই টোনার নিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে নিন। ২ মিনিট অপেক্ষা করলে এই টোনার ত্বকের সঙ্গে মিশে যাবে। দিনে দুবার করে ব্যবহার করতে হবে টানা ৪ সপ্তাহ। তাহলে তফাৎটা নিজের চোখেই দেখতে পাবেন।
.jpeg)
No comments:
Post a Comment